নতুন রঙে ঘর এবং অফিস সাজুক নিরাপদে

বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। দেশে এর দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে আরও বেগতিক। শত্রু যখন চোখে দেখা যায় না – এমন এক অদৃশ্য বস্তু, তখন প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ও পারিপার্শ্বিকতার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
গত বছর মার্চে দেশে বৈশ্বিক মহামারি হানা দেয়ার পর থেকেই মানুষের জীবন হয়ে গেছে ঘরকেন্দ্রিক। বাড়ি যে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল, বৈশ্বিক মহামারি তা যেন আবার সামনে নিয়ে এলো। চার দেয়ালের ভেতর দীর্ঘসময় থাকার ফলে আমাদের মনের ওপর এর বেশ প্রভাব পড়ছে। আর বহুদিন একইরকম্ভাবে থেকে ঘরের সবকিছু একঘেয়ে লাগাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ সময় ঘর সাজানো অথবা ঘরের দেয়াল রঙ করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় কিনা তা আরেক চিন্তা। আবার অনেকেই অফিস
রেনোভেশন নিয়ে আছেন শঙ্কায়, প্রয়োজন অনুভব করলেও সুরক্ষা নিয়ে চিন্তার কারণে পারছেন না সিদ্ধান্ত নিতে। এক্ষেত্রে, ক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিবেচনায় করোনাভাইরাসের প্রতিকূল পরিবেশে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সুরক্ষিত হয়ে বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনের প্রশিক্ষিত কর্মীরা ঘর ও অফিসের দেয়াল রঙ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন একদম শুরু থেকেই।
বৈশ্বিক মহামারির কারণে সকল ব্যাপারে মানুষ এখন নিজের ও তার পরিবারের জন্য সবচাইতে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত ব্যবস্থাটি গ্রহণ করতে সচেষ্ট। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বার্জারের দক্ষ কর্মীরা ঘর এবং অফিস রঙ করার ব্যাপারে মেনে চলেছেন সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি। ভাইরাস যাতে কোনভাবে না ছড়ায় সেজন্য পিপিই ও ডিসপোসেবল শ্যু পরিধান করে তারা
রঙ করার কাজটি করবেন। আমরা জানি যে, করোনাভাইরাস হাত দিয়ে চোখে, নাকে ও মুখে প্রবেশ করতে পারে। এজন্য বার্জারের কর্মীরা কিছুক্ষণ পর পর হাত স্যানিটাইজ করার ব্যাপারে সচেতন এবং সর্বক্ষণ তাদের মুখে থাকবে মাস্ক। এছাড়া, রঙ করার পূর্বে কাপড় ও পেইন্টিং টুলস তারা স্প্রেয়ার দিয়ে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে নিবেন, যাতে দেয়ালে বা ঘরে জীবাণু ছড়াতে না পারে। তাই, আপনি বার্জারের সাথে পুরোপুরি নিশ্চিন্তে রাঙ্গিয়ে নিতে পারবেন নিজের ঘর কিংবা আপনার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানটি।
করোনাভাইরাসের কারণে জীবন অনেকটা থমকে গেলেও এই এক বছরে আমরা নতুন স্বাভাবিকতার সাথে নিজেদের অনেকটাই মানিয়ে নিয়েছি। নিত্যদিনের ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও পোশাক সর্বক্ষণ জীবাণুমুক্ত রাখার চেষ্টার পাশাপাশি আমরা যেসব জায়গায় যাচ্ছি সেসব জায়গা জীবাণুমুক্ত কিনা কিংবা সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারেও আমরা এখন সচেতন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সকল বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন যেমন দক্ষ হাতে নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে, তেমনি প্রতিদিন স্পর্শহীন পদ্ধতিতে তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয় এক্সপেরিয়েন্স জোনে আগত সকলের। এছাড়া, বার্জার তাদের কর্মীদের স্বাস্থ্যের অবস্থা সর্বক্ষণ মনিটরিং করছে। তাই, আপনি কোনরূপ দুশ্চিন্তা ছাড়াই বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনে গিয়ে
একশো’রও বেশি শেড প্যানেলের মাধ্যমে ‘টাচ অ্যান্ড ফিল’ অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন, পাশাপাশি ভিআর যন্ত্রের মাধ্যমে দেখে নিতে পারবেন কোন ধরনের দেয়ালে কোন রঙটি আপনার জন্য মানানসই।
ঘর মানুষের মনের প্রতিচ্ছবি। সারাদিন যে ঘরে জীবনের সকল কার্যক্রম, সেখানে নোনা ধরা, রঙ ওঠা কিংবা পলেস্তার খসে পড়া দেয়াল একেবারেই কাম্য নয়। অপরদিকে, লকডাউনে যেহেতু এখন বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধ, এই সুযোগে আপনি চাইলে আপনার অফিসও রঙ করিয়ে নতুন করে সাজাতে পারেন। আপনার মনের মতো করে অভিরুচি অনুযায়ী ঘর কিংবা অফিসের দেয়াল নিরাপদে রাঙিয়ে তুলতে, বার্জার আছে আপনার পাশে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here